Showing posts with label SUGGESTION. Show all posts
Showing posts with label SUGGESTION. Show all posts

Tuesday, 17 May 2016

IELTS প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন






যারা উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের জন্য বিদেশে পড়াশুনা করতে চাই তাদের কাছে আইইএলটিএস খুবই পরিচিত শব্দ।বর্তমানে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে চাইলে আইইএলটিএস এ স্কোর ভাল কারা ছারা কোন উপায় নাই। আগে শুধু যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরাই আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নিতেন।তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র,কানাডার,ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এটি গ্রহণ করছে। ইউরোপের দেশ জার্মানিতে পড়তে চাইলে আইইএলটিএস ছারা কোন বিকল্প নেই।যে কেউ এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। এর জন্য তেমন কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না। 

পরীক্ষার পদ্ধতি

আইইএলটিএস পরীক্ষা দুই ধরনের হয়,
১।একাডেমিক ও
২।জেনারেল ট্রেনিং।

যারা স্নাতক, স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার করতে চাই তাদেরকে  একাডেমিক মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। আর ইমিগ্রেশনের জন্য সাধারণত জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়।

আইইএলটিএস পরীক্ষায়  দুই ধরনের(একাডেমিক ও জেনারেল ট্রেনিং) মডিউলেই চারটি সেকশন থাকে
Listening, Reading, Writing and Speaking।

লিসেনিং (Listening)


লিসেনিং (Listening) সেকশন এ কথোপকথন শুনে বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হয়।পরীক্ষার উত্তরপত্র হয় সাধারনত শুন্য স্থান পুরনের মত।কোনো বিষয়ে বক্তৃতা, কথোপকথন ইত্যাদি বাজিয়ে শোনানো হয় পরীক্ষার্থীদের। প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় শোনা অংশ থেকেই । কেবল একবারই বাজিয়ে শোনানো হয় একটি বিষয়।এই সেকশন এ ৪০ টি প্রশ্ন থাকবে।

রিডিং (Reading)

এই সেকশন এ তিনটি বিভাগে ৪০টি প্রশ্ন থাকবে। সময় থাকবে এক ঘণ্টা। নানা জার্নাল, বই, সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন বা কোন গল্প থেকে কিছু অংশ তুলে দেওয়া হবে। সেখান থেকেই সংক্ষিপ্ত উত্তর,বাক্য পূরণ ও  সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা ইত্যাদি থাকবে।

রাইটিং (Writing)

রাইটিং (Writing)  সেকশন এ পরীক্ষার্থীর ইংরেজি লেখার দক্ষতা যাচাই করা হয়। প্রথম প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো চার্ট অথবা ডায়াগ্রাম থাকবে। এ চার্ট অথবা ডায়াগ্রাম থেকে নিজের কথায় বিশ্লেষণধর্মী উত্তর লিখতে হয়। দ্বিতীয় প্রশ্নটি যুক্তি মূলক হয় ।এখানে সাধারণত কোনো বিষয়ের পক্ষে-বিপক্ষে মত বা যুক্তি উপস্থাপন করতে হয়।সময় থাকবে এক ঘণ্টা। 

স্পিকিং (Speaking)

এই সেকশন এ তিনটি অংশে মোটামুটি ১১ থেকে ১৪ মিনিটের পরীক্ষা হয়। প্রথম অংশে পরীক্ষার্থীকে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করা হয় তার নিজের সম্পর্কে,যেমনঃ
পরিবার, পড়াশোনা, কাজ, বন্ধু ইত্যাদি। দ্বিতীয় অংশে একটি নির্দিষ্ট বিষযে দুই মিনিট কথা বলতে হয়। তৃতীয় অংশে পরীক্ষকের সঙ্গে চার থেকে পাঁচ মিনিটের জন্য  কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কথোপকথন করতে হয়।

আইইএলটিএসের স্কোর

আইইএলটিএসের স্কোর এক থেকে নয়-এর স্কেলে দেওয়া হয়। চারটি সেকশনে আলাদাভাবে ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হয়।এগুলোর গড় করে সম্পূর্ণ একটি স্কোর দেওয়া হয়।একাডেমিক মডিউলে সাধারনত ৬.৫ পেতে হয়, না হলে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায় না।

আইইএলটিএস এর প্রস্তুতি


আইইএলটিএস এর প্রস্তুতির শুরুতেই আপনার লক্ষ্য ঠিক করে নেয়া উচিত।পরীক্ষা দেওয়ার আগেই জেনে নিন ন্যূনতম কত স্কোর প্রয়োজন আপনার।প্রথমে একটা মক টেস্ট দিয়ে নিজেকে যাচাই করে নিতে পারেন। মক টেস্ট এর স্কোর দেখে বুঝতে পারবেন কোথায় আপনি দুর্বল।আপনার দুর্বল পয়েন্ট গুলো বের করে,সে অনুযায়ী প্রস্তুতির পরিকল্পনা করে নিন।প্রতিদিন নিয়ম করে প্রস্তুতি নিন আর আপনার দক্ষতা বাড়াতে থাকুন।অন্তত তিন মাস সময় হাতে নিয়ে প্রস্তুতি নেয়া ভালো।স্পিকিংয়ের জন্য বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে এবং বাসায় ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস করুন। এভাবে কিছুদিন ধরে চর্চা করতে থাকুন।আইইএলটিএস পরীক্ষায় প্রশ্নের উত্তর তেমন কঠিন কিছু হবে না, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটাই চ্যালেঞ্জের বিষয়। এ জন্য প্রস্তুতির সময় ঘড়ি ধরে প্রশ্নপত্র সমাধান করতে হবে।কেমব্রিজ থেকে প্রকাশিত আইইএলটিএস পরীক্ষার পুরনো প্রশ্নপত্রের বই কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো প্রতিদিন সমাধান করুন।

ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং আইডিপি এর মাধ্যমে আইইএলটিএস সম্পর্কে যেকোনো তথ্য পেতে পারেন।

কখন,কোথায় ও কীভাবে পরীক্ষা দেবেন

বাংলাদেশে  ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপির আয়োজনে আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়া যায়। প্রতি মাসেই নির্দিষ্ট তারিখে দুই বা তিনবার পরীক্ষা দেওয়া যায়। ওয়েবসাইটে অথবা ফোন করে পরীক্ষার তারিখ জেনে নিতে পারেন। দুই সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার ফি এখন ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট ও দুই কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি লাগবে। ছবি ছয় মাসের বেশি পুরোনো হলে তা গ্রহণ করা হবে না।আইইএলটিএস স্কোরের মেয়াদ দুই বছর।পরীক্ষার নিবন্ধনে এখন কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। এখন অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। এরপর টাকা জমা দেওয়া যাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু শাখায়। ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে দেখে নিতে পারবেন কোন কোন শাখায় টাকা জমা দেওয়া যাবে। ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পর সেখানেই নির্দিষ্ট বাক্সে ডিপোজিট স্লিপ ও অনলাইনে পূরণ করা ফরমের প্রিন্ট করা কপি, ছবি ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কাগজ রেখে দিতে হবে।ব্রিটিশ কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে তা সংগ্রহ করে নেবেন।এরপর ফোনে বা এসএমএসের মাধ্যমে আপনাকে  জানিয়ে দেওয়া হবে পরীক্ষার সময়, স্থান, নিবন্ধন নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাবস্থা করে থাকে ব্রিটিশ কাউন্সিল।


যোগাযোগঃ
ফোন:আইডিপি বাংলাদেশ
০৯৬৬৬-৭৮২-৭৮২
ওয়েবসাইট: www.bangladesh.idp.com
ফোন: ব্রিটিশ কাউন্সিল
ঢাকা-০২৮৬১৮৯০৫
চট্টগ্রাম-০৩১৬৫৭৮৮৪-৬
সিলেট-৮২১৮১৪৯২৫।
ওয়েবসাইট: www. ielts.org, www.britishcouncil.org/bangladesh 




Wednesday, 11 May 2016

SSC Result 2016 has Published

১০ শিক্ষা বোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। সারা দেশেজিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন।
আজ বুধবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের নেতৃত্বে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এই অনুলিপি তুলে দেন। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
এসএসসি ও সমমানে গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার বেড়েছে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ। গতবার পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।
তবে গত বছরের চেয়ে এবার মোট জিপিএ-৫ কমেছে। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন।
আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার এসএসসিতে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৮৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।
এবার এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৬ হাজার ৭৬৯ জন। গতবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯৩ হাজার ৬৩১ জন।
এবার এসএসসিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ২৮৪ জন। পাস করেছে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৬৩ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ২২ শতাংশ।
অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ১১ শতাংশ।
সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আজ বেলা দুইটায় একযোগে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার কথা। এবারও আগের মতো ওয়েবসাইট ও মুঠোফোনে ফল পাওয়া যাবে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। শেষ হয় গত ১৪ মার্চ।
SSC ফলাফল জানতে ক্লিক করুন  
দাখিল ফলাফল জানতে ক্লিক করুন 


Monday, 2 May 2016

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার শেষ সময়ের প্রস্তুতি



শিক্ষকতা নামক একটি মহৎ পেশায় যারা আসতে চান তারা ইতোমধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করেছেন।এখন পরবর্তী লক্ষ্য প্রিলিমিনারী এবং লিখিত পরীক্ষা।৬ই মে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার স্কুল ও স্কুল ২ এবং কলেজ পর্যায়ের ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ১৩ই মে অনুষ্ঠিত হবে।

১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা থেকেই পাল্টে গেছে পরীক্ষার ধরণ। বিসিএস পরীক্ষার মতো হচ্ছে নিবন্ধন পরীক্ষা। প্রথমে ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে, সময় এক ঘণ্টা। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ২৫টি করে প্রশ্ন থাকবে প্রিলিমিনারিতে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য বরাদ্দ ১ নম্বর, প্রত্যেক ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.৫০ নম্বর। পাস করতে হলে কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে। প্রার্থীর ঐচ্ছিক বিষয়ে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। সময় ৩ ঘণ্টা। লিখিত পরীক্ষায়ও পাস নম্বর ৪০। উত্তীর্ণ হলে মিলবে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ। প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস পাওয়া যাবে ওয়েবসাইটে।

লিখিত পরীক্ষার সময় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। নম্বরের ভিত্তিতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে সময় জানিয়ে দেয়া হবে। নির্ধারিত তারিখে সঙ্গে আনতে হবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি করা হবে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় মেধাতালিকা।

বাংলা -২৫

স্কুল ও কলেজ উভয় পর্যায়েই ভালো করতে হলে ব্যাকরণের প্রতি জোর দিতে হবে।উদয়ন স্কুলের বাংলার সহকারী শিক্ষক জানান বাংলা ব্যাকরণ অংশে ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার, কারক বিভক্তি, সমাস, প্রত্যয়, সন্ধিবিচ্ছেদ, ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ ও লিঙ্গ পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। বাগধারা ও বাগবিধি, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, যথার্থ অনুবাদ ও বাক্য সংকোচন থেকেও প্রশ্ন থাকবে। ব্যাকরণের প্রায় প্রতিটি অংশ থেকে এক থেকে দুটি করে প্রশ্ন আসে। প্রশ্ন আসে বাংলা সাহিত্য থেকে। স্কুল পর্যায়ের জন্য নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক, বোর্ড প্রণীত ব্যাকরণ ও বাংলা প্রথম পত্র বইটি ভালোভাবে পড়তে হবে। কলেজ পর্যায়ের জন্য নবম-দশমের সঙ্গে দেখতে হবে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড বই। প্রথম পত্র বইয়ের প্রতিটি গদ্য ও পদ্যের লেখক পরিচিতির অংশটি ভালোভাবে পড়তে হবে।

গণিত -২৫

গনিতের সাধারণ সূত্র গুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।পাটিগণিতের ঐকিক নিয়ম, লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সুদকষা, গড়, লসাগু, গসাগু, অনুপাত-সমানুপাত, বীজগণিতে মূলদ ও অমূলদ সংখ্যা, ফাংশন, উত্পাদক নির্ণয়, বর্গ ও ঘন, সূচক ও লগারিদমের সূত্রের প্রয়োগ, জ্যামিতির ক্ষেত্রে রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, ক্ষেত্রফল ও বৃত্ত, পরিমিতি ও ত্রিকোণমিতি থেকে প্রশ্ন আসে বলে জানান বিগত পরীক্ষায় সনদ প্রাপ্ত বাবু বিমল ঘোষ।
বোর্ড প্রণীত অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির গণিত বইয়ের প্রতিটি নিয়মের অঙ্ক সমাধান করলে পরীক্ষায় ভালো করা যাবে। কলেজ পর্যায়ের জন্য দেখতে হবে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বই। উত্তরের ক্ষেত্রে এককের দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

ইংরেজি -25

ইংরেজির সব প্রশ্নতেই  থাকবে গ্রামারের ব্যবহার। গ্রামারে দুর্বল হলে কখনোই এ অংশে ভালো করা যাবে না।তাই গ্রামারের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।Completing Sentence, Translation  from Bengali to English, Change of Parts of Speech ,Right from of Verbs, Fill in the blank with appropriate word, Transformation of Sentence, Synonyms and Antonyms, Idioms and Phrases, Article. এগুলো থেকে স্কুল ও কলেজ উভয় পর্যায়ের প্রশ্ন থাকবে।বিগত বছরগুলোর নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি প্রশ্ন সমাধান করলেও বেশ কাজে দেবে বলে জানান বিগত পরীক্ষায় সনদ প্রাপ্ত মোঃ হারুনার রশিদ।

সাধারণ জ্ঞান-২৫

সাধারণ জ্ঞান তিনটি ভাগে ভিভক্ত থাকে-
১)বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়।
২)আন্তর্জাতিক বিষয় ও চলতি ঘটনা
৩)বিজ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তি, পরিবেশ এবং রোগব্যাধি সম্পর্কিত মৌলিক ধারণা।

সাধারণ জ্ঞান অংশে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ, রোগব্যাধি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান থেকে সাধারনত প্রশ্ন আসে। বাংলাদেশ অংশে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু, ইতিহাস ও সভ্যতা, সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থনীতি, বিভিন্ন সম্পদ থেকে প্রশ্ন থাকে। আন্তর্জাতিক অংশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, বিভিন্ন দেশ পরিচিতি, মুদ্রা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, আন্তর্জাতিক দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, খেলাধুলা থেকে প্রশ্ন থাকে। প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, রোগব্যাধি, চিকিৎসা-স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন আসতে পারে এবং সাম্প্রতিক বিষয়ের প্রতি একটু বেশি নজর দিতে হবে বলে জানান বিগত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মোঃ মনজুর ইলাহি। যেমনঃবিশ্বকাপ ক্রিকেট, পাকিস্তান দলের বাংলাদেশ সফর, এ বছরের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রভৃতি।

লিখিত পরীক্ষা

প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ১০০ নাম্বার এর ৩ ঘণ্টার ঐচ্ছিক বিষয় এর লিখিত পরীক্ষা দেয়ার জন্য মনোনীত হবেন।লিখিত পরীক্ষা শুরুতেই দেখে নিতে হবে সিলেবাস।স্কুল পর্যায়ের জন্য নবম-দশম শ্রেণির বইগুলো পড়তে হবে এবং কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে প্রার্থীর অনার্স পর্যায়ের বইগুলো পড়লেই চলবে। বিগত বছরের প্রশ্ন দেখলে প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। একটি সাজেশন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এমনকি প্রয়োজনে স্নাতক পর্যায়ের বই থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বেশি বেশি লেখার চর্চা করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি প্রশ্নেরই বিকল্প প্রশ্ন থাকে, ফলে একটি না পারলেও অপরটির উত্তর করা যাবে।


লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রাথিদেরকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য মনোনয়ন দেয়া হেবে। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে চুরান্তভাবে সনদ প্রদান করা হেবে।

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার তারিখ পেছালো



আইসিটি শিক্ষকরা এমপিও পাচ্ছেন না

Thursday, 28 April 2016

কোরিয়ান EPS TOPIK এর জন্য ভাষা যেভাবে শিখবেন


কোরিয়ান EPS TOPIK এর জন্য কোরিয়ান ভাষা জানা অত্যাবশ্যক।কোরিয়ান ভাষা জানা না থাকলে EPS TOPIK এ অ্যাপ্লাই করেও কোন লাভ হবেনা।তাই কোরিয়ান EPS TOPIK এর জন্য কোরিয়ান ভাষা খুব ভাল করে জানতে হবে।কোরিয়ান ভাষায় ভাল দক্ষতা অর্জন না করতে পারলে কোরিয়া যেয়ে ভাল কিছু করা কঠিন বাপার।তাই কোরিয়া যাওয়ার পূর্বে ভাষাটা ভাল ভাবে রপ্ত করতে হবে।কোরিয়ান ভাষা শেখার জন্য অনেক কোচিং সেন্টার আছে,যারা আপনার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিবে আর ভাষা শিখাবে।কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হবে, এটাই দুনিয়ার নিয়ম। আপনি যদি চান তাহলে টাকা খরচ করে কোচিং থেকে ভাষা শিখতে পারবেন।আর যদি টাকা করচ করতে না চান তাহলে অনলাইন টুউটুরিয়াল থেকে ভাষা শিখতে পারবেন।অনলাইন থেকে ভাষা শিখার অনেক ওয়েবসাইট আছে।এগুলো থেকে একটু চেষ্টা করলেই নিজে নিজেই ভাষা শিখতে পারবেন।অনলাইন এ কোরিয়ান ভাষা শেখার কয়েকটি ওয়েবসাইট ঃ










কোরিয়ান সার্কুলার ২০১৬ ও ইপিএস টপিক সময় সূচি ২০১৬