Tuesday, 3 May 2016

MSc Scholarship for International Students in UK-2016



University of Warwick will be awarding over £500,000 in scholarships and bursaries to students commencing study on our full-time MSc programmes beginning in October 2016.Application Deadline 20th May 2016.


WMG Excellence Scholarships


WMG Excellence Scholarships are available on a competitive basis. Awards will be based on past academic achievement, previous experience, extracurricular activities, reasons for study, and your vision for the future.
Students will be considered for the awards when submitting an application for a WMG full-time MSc course.

Up to a total of 50 WMG Excellence Scholarships will be awarded on a % discount of the tuition fees. Awards will range from 20% to 50% fee discount with the maximum award possible being 50% discount.

Eligibility

All applicants receiving an offer to study on a WMG Full-time MSc course that runs in the UK, starting October 2016, will be assessed for the WMG Excellence Scholarship.
Applicants should have an excellent academic track-record. The WMG Scholarship committee will be reviewing both the academic achievement (usually the equivalent of a British 1st Class Honours Degree) and Statement of Purpose when awarding.
Students will be automatically considered for the WMG Excellence Scholarships when submitting their application for a WMG full-time MSc course.
For conditional offer-holders, scholarship awards will also be conditional on achieving the awardee's final predicted grade.
WMG Excellence Scholarships are for self-funded students only. NB: students with partial bursaries on scholarship-loan schemes or partially funded by an external organisation may be considered. Awardees should inform the scholarship committee if they are in receipt of another scholarship or are later awarded other funding.
WMG Excellence Scholarships are awarded for study on UK Full-time MSc Programmes only.
WMG Excellence Scholarships are paid towards tuition fees only and cannot be paid in cash or towards accommodation or maintenance costs.
WMG will award WMG Excellence Scholarships across all WMG Full-time MSc Programmes to maximize nationality and gender diversity.
In order to maximise your chances of success, we recommend you submit your MSc application before the end of May 2016.

* These numbers are for guidance only. WMG reserves the right to amend the exact number of WMG Excellence Scholarships awarded

                        Scholarship Application Form




Join Belarus Minsk Summer School-2016









Join Belarus Minsk Summer School-2016



বেলারুশের Minsk Summer School-2016  এ Discover Belarus :from Education and Culture অনুষ্ঠিত হবে।এজন্য আগ্রহী প্রার্থীদের নিকট থেকে আবেদন আহ্বান করা যাচ্ছে।আগ্রহী প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রসহ সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে আবেদনের সম্পূর্ণ নীতিমালা পাওয়া যাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটঃ

http://www.moedu.gov.bd/index.php?option=com_content&task=view&id=1112&Itemid=345




বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও নিয়োগের নতুন নীতিমালা



বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে এখন থেকে নতুন পদ্ধতি ও নীতিমালার আলোকে। ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে প্রণীত মেধাতালিকা থেকে নির্বাচিত শিক্ষকদেরই নিয়োগ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের শিক্ষক চাহিদা আগেই পাঠাতে হবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছে। সেখান থেকে নির্বাচিত বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের তালিকা পাঠানো হবে প্রতিষ্ঠানে। সে তালিকা থেকেই শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।

প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং কমিটি এখন শুধু ওই শিক্ষকের নিয়োগপত্র ইস্যু করবেন মাত্র। ধারণা করা হচ্ছে, এতে যোগ্য ও মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত হবে এবং বহুল আলোচিত নিয়োগবাণিজ্য রোধ করা সম্ভব হবে। নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষক নিয়োগ সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, উপযুক্ত, দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অনলাইনে শিক্ষক নিয়োগ দিলে স্বচ্ছতা থাকে।

এ ক্ষেত্রে ত্রুটি থাকার সুযোগ নেই। যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। আগামী ৬ মে স্কুল এবং ১২ মে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধনের যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে তা নতুন নিয়মে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নতুন নিয়মে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে (www.ntrca.gov.bd) রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ৭ মের মধ্যে সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ রেজিস্ট্রেশন সস্পন্ন করতে হবে অন্যথায় তারা নতুন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে না। অনিবন্ধিত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলে তারা এমপিওভুক্ত (মান্থলি পে-অর্ডার বা বেতনের সরকারি অংশ) হওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। তারা এ জন্য আবেদনও করতে পারবেন না। নিবন্ধন পরীক্ষার নতুন নিয়ম সম্পর্কে এনটিআরসিএ সূত্রে বলা হয়েছে, নতুন পরীক্ষাপদ্ধতি হবে অনেকটাই পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষার আদলে। প্রথমে বিষয়ভিত্তিক প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উত্তীর্ণদের আবারো লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

সেখানে উত্তীর্ণদের চূড়ান্তভাবে বিভাগীয় জেলা ও উপজেলা কোটার জন্য মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পৃথকভাবে প্রার্থীকে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। তবে কোনো প্রার্থী লিখিত ও মৌখিক নিবন্ধন পরীক্ষায় পৃথকভাবে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর না পেলে মেধাতালিকায় অন্তর্ভুক্তির যোগ্য হবেন না। শিক্ষকনিয়োগে নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে এনটিআরসিএ সূত্রে বলা হয়েছে, নতুন নিয়মে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বছরভিত্তিক শূন্য পদের সংখ্যা নিরূপণ, শূন্য পদের সংখ্যা অনুযায়ী লিখিত নিবন্ধন পরীক্ষার পর নির্ধারিত নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে উপজেলা, জেলা ও জাতীয়ভিত্তিক মেধাতালিকা করবে। এরপর মেধাক্রম ও চাহিদা অনুযায়ী প্রার্থীদের নিয়োগে সুপারিশ করবে। পরিচালনা কমিটি শুধু যোগদানপত্র দেবে। নতুন নিয়োগপদ্ধতি সম্পর্কে এনটিআরসিএ সূত্রে আরো বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরবর্তী পঞ্জিকা বছরে তার প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষকদের নিয়োগযোগ্য পদের একটি চাহিদাপত্র উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রাপ্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা একীভূত করে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে একটি সমন্বিত চাহিদাপত্র জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে প্রেরণ করবেন। জেলা শিক্ষা অফিসার ৩০ নভেম্বরের মধ্যে একটি সঙ্কলিত বা সমন্বিত চাহিদাপত্র এনটিআরসিএতে পাঠাবে। অপর দিকে, এনটিআরসিএ প্রতি বছর প্রার্থী বাছাইসংক্রান্ত পরীক্ষা গ্রহণ করে চাহিদা অনুযায়ী পদ/বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের জাতীয়, বিভাগ, জেলা, উপজেলা বা থানাওয়ারি মেধাক্রম প্রণয়ন করে ফলাফল ঘোষণা করবে।

এই মেধাতালিকা থেকেই শিক্ষকদের নিয়োগ দিতে হবে। এর বাইরে শিক্ষক নিয়োগ করার ক্ষমতাও থাকবে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বা স্কুল ম্যানেজিং বা গভর্নিং কমিটির। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রায় ২৪ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল, সাড়ে তিন হাজার কলেজ ও সাড়ে ৯ হাজার মাদরাসা রয়েছে। আগের নিয়মে এসব প্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটি বা ম্যানেজিং অথবা গভর্নিং কমিটি নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের যে কাউকে নিয়োগ দিতে পারতেন। এতে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ছিল। ২০০৫ সালে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে নিবন্ধন পরীক্ষা চালু হয়। এ পর্যন্ত ১২ বার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ করেছে এনটিআরসিএ। এসব নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ প্রার্থী পাস করেছেন। যারা নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন। নতুন নিয়ম চালুর পরিপ্রেক্ষিতে এ সাড়ে ৫ লাখ নিবন্ধিত শিক্ষক পদের প্রত্যাশীদের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে। যদিও তাদের মেধাতালিকা করা হবে আশ্বাস দেয়া হয়েছে আগে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের। তবুও এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেক নিবন্ধিত শিক্ষক পদপ্রত্যাশী।



১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার শেষ সময়ের প্রস্তুতি








Monday, 2 May 2016

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার শেষ সময়ের প্রস্তুতি



শিক্ষকতা নামক একটি মহৎ পেশায় যারা আসতে চান তারা ইতোমধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করেছেন।এখন পরবর্তী লক্ষ্য প্রিলিমিনারী এবং লিখিত পরীক্ষা।৬ই মে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার স্কুল ও স্কুল ২ এবং কলেজ পর্যায়ের ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ১৩ই মে অনুষ্ঠিত হবে।

১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা থেকেই পাল্টে গেছে পরীক্ষার ধরণ। বিসিএস পরীক্ষার মতো হচ্ছে নিবন্ধন পরীক্ষা। প্রথমে ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে, সময় এক ঘণ্টা। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ২৫টি করে প্রশ্ন থাকবে প্রিলিমিনারিতে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য বরাদ্দ ১ নম্বর, প্রত্যেক ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.৫০ নম্বর। পাস করতে হলে কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে। প্রার্থীর ঐচ্ছিক বিষয়ে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। সময় ৩ ঘণ্টা। লিখিত পরীক্ষায়ও পাস নম্বর ৪০। উত্তীর্ণ হলে মিলবে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ। প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস পাওয়া যাবে ওয়েবসাইটে।

লিখিত পরীক্ষার সময় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। নম্বরের ভিত্তিতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে সময় জানিয়ে দেয়া হবে। নির্ধারিত তারিখে সঙ্গে আনতে হবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি করা হবে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় মেধাতালিকা।

বাংলা -২৫

স্কুল ও কলেজ উভয় পর্যায়েই ভালো করতে হলে ব্যাকরণের প্রতি জোর দিতে হবে।উদয়ন স্কুলের বাংলার সহকারী শিক্ষক জানান বাংলা ব্যাকরণ অংশে ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার, কারক বিভক্তি, সমাস, প্রত্যয়, সন্ধিবিচ্ছেদ, ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ ও লিঙ্গ পরিবর্তন থেকে প্রশ্ন আসে। বাগধারা ও বাগবিধি, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, যথার্থ অনুবাদ ও বাক্য সংকোচন থেকেও প্রশ্ন থাকবে। ব্যাকরণের প্রায় প্রতিটি অংশ থেকে এক থেকে দুটি করে প্রশ্ন আসে। প্রশ্ন আসে বাংলা সাহিত্য থেকে। স্কুল পর্যায়ের জন্য নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক, বোর্ড প্রণীত ব্যাকরণ ও বাংলা প্রথম পত্র বইটি ভালোভাবে পড়তে হবে। কলেজ পর্যায়ের জন্য নবম-দশমের সঙ্গে দেখতে হবে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড বই। প্রথম পত্র বইয়ের প্রতিটি গদ্য ও পদ্যের লেখক পরিচিতির অংশটি ভালোভাবে পড়তে হবে।

গণিত -২৫

গনিতের সাধারণ সূত্র গুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।পাটিগণিতের ঐকিক নিয়ম, লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সুদকষা, গড়, লসাগু, গসাগু, অনুপাত-সমানুপাত, বীজগণিতে মূলদ ও অমূলদ সংখ্যা, ফাংশন, উত্পাদক নির্ণয়, বর্গ ও ঘন, সূচক ও লগারিদমের সূত্রের প্রয়োগ, জ্যামিতির ক্ষেত্রে রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, ক্ষেত্রফল ও বৃত্ত, পরিমিতি ও ত্রিকোণমিতি থেকে প্রশ্ন আসে বলে জানান বিগত পরীক্ষায় সনদ প্রাপ্ত বাবু বিমল ঘোষ।
বোর্ড প্রণীত অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির গণিত বইয়ের প্রতিটি নিয়মের অঙ্ক সমাধান করলে পরীক্ষায় ভালো করা যাবে। কলেজ পর্যায়ের জন্য দেখতে হবে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বই। উত্তরের ক্ষেত্রে এককের দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

ইংরেজি -25

ইংরেজির সব প্রশ্নতেই  থাকবে গ্রামারের ব্যবহার। গ্রামারে দুর্বল হলে কখনোই এ অংশে ভালো করা যাবে না।তাই গ্রামারের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।Completing Sentence, Translation  from Bengali to English, Change of Parts of Speech ,Right from of Verbs, Fill in the blank with appropriate word, Transformation of Sentence, Synonyms and Antonyms, Idioms and Phrases, Article. এগুলো থেকে স্কুল ও কলেজ উভয় পর্যায়ের প্রশ্ন থাকবে।বিগত বছরগুলোর নিবন্ধন পরীক্ষার প্রশ্ন ও বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি প্রশ্ন সমাধান করলেও বেশ কাজে দেবে বলে জানান বিগত পরীক্ষায় সনদ প্রাপ্ত মোঃ হারুনার রশিদ।

সাধারণ জ্ঞান-২৫

সাধারণ জ্ঞান তিনটি ভাগে ভিভক্ত থাকে-
১)বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিষয়।
২)আন্তর্জাতিক বিষয় ও চলতি ঘটনা
৩)বিজ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তি, পরিবেশ এবং রোগব্যাধি সম্পর্কিত মৌলিক ধারণা।

সাধারণ জ্ঞান অংশে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ, রোগব্যাধি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান থেকে সাধারনত প্রশ্ন আসে। বাংলাদেশ অংশে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ু, ইতিহাস ও সভ্যতা, সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থনীতি, বিভিন্ন সম্পদ থেকে প্রশ্ন থাকে। আন্তর্জাতিক অংশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা, বিভিন্ন দেশ পরিচিতি, মুদ্রা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, আন্তর্জাতিক দিবস, পুরস্কার ও সম্মাননা, খেলাধুলা থেকে প্রশ্ন থাকে। প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, রোগব্যাধি, চিকিৎসা-স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন আসতে পারে এবং সাম্প্রতিক বিষয়ের প্রতি একটু বেশি নজর দিতে হবে বলে জানান বিগত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মোঃ মনজুর ইলাহি। যেমনঃবিশ্বকাপ ক্রিকেট, পাকিস্তান দলের বাংলাদেশ সফর, এ বছরের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রভৃতি।

লিখিত পরীক্ষা

প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ১০০ নাম্বার এর ৩ ঘণ্টার ঐচ্ছিক বিষয় এর লিখিত পরীক্ষা দেয়ার জন্য মনোনীত হবেন।লিখিত পরীক্ষা শুরুতেই দেখে নিতে হবে সিলেবাস।স্কুল পর্যায়ের জন্য নবম-দশম শ্রেণির বইগুলো পড়তে হবে এবং কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে প্রার্থীর অনার্স পর্যায়ের বইগুলো পড়লেই চলবে। বিগত বছরের প্রশ্ন দেখলে প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। একটি সাজেশন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এমনকি প্রয়োজনে স্নাতক পর্যায়ের বই থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বেশি বেশি লেখার চর্চা করতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি প্রশ্নেরই বিকল্প প্রশ্ন থাকে, ফলে একটি না পারলেও অপরটির উত্তর করা যাবে।


লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রাথিদেরকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য মনোনয়ন দেয়া হেবে। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদেরকে চুরান্তভাবে সনদ প্রদান করা হেবে।

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার তারিখ পেছালো



আইসিটি শিক্ষকরা এমপিও পাচ্ছেন না

SSC Exam Result 2016






২০১৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১১ মে প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানান, চলতি মাসের ৫ কিংবা ৬ তারিখ ফল ঘোষণা করার জন্য প্রাথমিকভাবে দিন নির্ধারণ করা হলেও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনসাপেক্ষে ১১ মে এস এস সি ফল প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, আগামী ১০ বা ১১ মে ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। প্রস্তাব অনুযায়ী ১১ মে ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ১০ মার্চ। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মাথায় গত কয়েক বছর থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এবার মোট ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসিতে ১৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৫ এবং এসএসসি ভোকেশনালে (কারিগরি) ৯৮ হাজার ৩৮৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। 

এস এস সি পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর আফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর আফিসিয়াল ওয়েবসজাবেঃhttp://www.educationboardresults.gov.bd/regular/index.php

এছাড়াও মোবাইল ফোনে এস এম এস এর মাধ্যমে ২০১৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে।

এস এম এস এর মাধ্যমে ২০১৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল জানার পদ্দতিঃ

 SSC<Space> first three letters of Board<Space>Roll<Space>2016 Send to 16222.

উদাহারনঃ SSC BAR 201212 2016 send to 16222

First three letter of all education Board of Bangladesh.DHA = Dhaka Board, BAR = Barisal Board, SYL = Sylhet Board, COM = Comilla Board, CHI= Chittagong Board, RAJ = Rajshahi Board, JES = Jessore Board, DIN = Dinajpur Board,MAD = Madrasah Board.



SSC Exam Result 2016 Bangladesh





Sunday, 1 May 2016

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য জাপান সরকারের Monbukagakusho স্কলারশিপ ২০১৭ (Monbukagakusho Scholarship for Bangladeshi Students 2017)

Monbukagakusho Scholarship for Bangladeshi Students:


জাপান সরকার এর প্রদত্ত মনবুকাগাকাশো (Monbukagakusho) বৃত্তি ২০১৭ এর সার্কুলার হয়েছে।বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের নিকট থেকে দরখাস্থ আহ্বান করা হয়েছে।জাপানে স্নাতক,কলেজ অব টেকনোলজি এবং স্নাকত্তর ও পিইচডি পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।প্রতিটি প্রোগ্রামে  ৫০ জন করে মোট ১৫০ জনকে প্রাথমিক ভাবে মনোনীত করা হবে।মনোনীতদেরকে ফাইনাল সাক্ষাৎকার এর মাধ্যমে চূড়ান্ত ভাবে মনোনীত করা হবে।আবেদনের সময় সিমাঃ ১৫ মে ২০১৬।

Program সমূহঃ

1.Undergraduate
2.College of Technology
3.Research (Masters & Phd)

আবেদনের যোগ্যতাঃ


উল্লেখ্য জাপানিজ ভাষা জানা এবং টোফেল ও আইলটিএস জানা প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।আবেদনের শেষ তারিখঃ১৫ মে ২০১৬।আবেদন করা যাবে শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (http://www.banbeis.gov.bd/MEXT/) থেকে।

আবেদন ফর্মের  লিঙ্ক ঃ

Application Form For Japan Govt.(Monbukagakusho) Scholarship-2017




আইসিটি শিক্ষকরা এমপিও পাচ্ছেন না


বিশ্বমানের চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে অপেক্ষাকৃত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে ঘড়ে তোলার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়কে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে অন্ততরভুক্তি করার সিদান্ত নেয়া হয়েছে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয় বাধ্যতামূলক করা হলেও সরকার এ বিষয়ের শিক্ষককে এমপিও দেবে না। এ বিষয়ে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে। কয়েকবছর আগে এমন সিদ্ধান্ত দেয় মন্ত্রণালয়। একই নির্দেশনা আবারো মনে করিয়ে দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

গত বৃহস্পতিবার এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় (MOEDU)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) চৌধুরী মুফাদ আহমদ স্বাক্ষরিত এ পরিপত্রে বলা হয়, ‘পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে।’
এতে আরও বলা হয়, বিশ্বমানের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অপেক্ষাকৃত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়কে আবশ্যিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলেছে, অর্থ বরাদ্দ না থাকাই এমপিও না দেয়ার কারণ। এদিকে তীর্থের কাকের মতো তাকিয়ে রয়েছে আইসিটি শিক্ষকরা। কবে তারা এমপিওভুক্ত হবেন।আইসিটি বিষয়ে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বেতন-ভাতাদি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যোগদানের কতদিন পর থেকে দিবেন এবং ফুল স্কেল এ দিবেন কিনা তার কোন উল্লেখ নেই।

আইসিটি শিক্ষকরা এমপিও পাচ্ছেন না এ বিষয়ে জানতে পারবেন  MOEDU ওয়েবসাইট থেকে

http://www.moedu.gov.bd/index.php?option=com_content&task=view&id=1115&Itemid=416



Source:http://www.dainikshiksha.com